রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১




ফোর মার্ডার মামলায় ১২ জনের ফাঁসি

নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন:

নারায়াণগঞ্জের ফতুল্লায়  মাডার মামলায় ১২ জনকে মৃত্যু দন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।  শাহপরান বল গেটের মাঝি মাল্লা, নাসির মিয়া, মঙ্গল, ফয়সাল, হান্নান দের গলা কেটে হত্যা করে বলগেট ডাকাতির অপরাধে দোষী সাভ্যস্থ করে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর  এবং পলাতকদের দ্রুত গ্রেফতার করে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে ।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের  বিচারক মােসামৎ সাবিনা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।রায় ঘোষণার সময় আদালতে ৯ আসামী উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডিত আসামীরা হলেন, চাঁন মিয়া, দুলাল মিয়া, মজিবর, শফিকুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান, মহি ফিটার, আরিফ।পলাতক ছিলেন, জলিল, সাইফুল ইসলাম, দুলাল ও ইব্রাহিম।রায়ে রাষ্ট্র পক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

মামলার বিবরনে জানা যায়, মামলার বাদী এৱসান হিম শাহপরান বলগেট এর মালিক সে বিগত ২২/৯/০৮ ইং তারিখে ফতুল্লা থানায় এই মর্মে এজাহার দায়ের করেন যে, আমি এজাহারকারী।  বল

গেট ” শাহপরান” এর মালিক। গত ১৯/৯/২০০৮ ইং তারিখ থেকে ২১/০৯/২০০৮ ইং তারিখ এর মধ্যে ঘটনা ঘটে। ঐ সময় সিলেট থেকে পাথর বােঝাই করে আমার এই বলগেট টি মুন্সিগঞ্জের সিমেন্ট কারখানায় আসে। পাথর ঐ কারখানায় খালাস করে দেবার পরে বলগেটটির মেশিন নষ্ট হয়ে যায় ।
বলগেট এর মেশিন ঠিক করার জন্য স্রাসামী মহী মিটার ও আসামী তাজু ফিটারকে বলগেট এর ড্রাইভার
নাসির খবর দেয়। শুরা এসে বলগেটটা ঠিক করে টেস্ট করতে গিয়ে চরে তথ্য বাশীর চরে নিয়ে লাগিয়ে দেয় ।
ইট খােলার পাশে লাগিয়ে দেয়। আমার বুলগেটে নাসির মিয়া, মঙ্গল, ফয়সাল ও হান্নান ছিল। বক্তাবলী চরে
বলগেটটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় মথন পাই তখন আমার ঐ চার জন কর্মচারীকে পাই নাই পরে যে মেঘনা নদীর চরে হাত পা বাধা অবস্থায় নাসির মিয়ার লস পাই। মঙ্গলের লাস ও হাত পা বাধা অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকী দুই জন ফয়সাল ও হান্নান এর লাস পাই নাই। বলগেটটা না পেয়ে আমি তখন দিনে থানায় জিডি করি । লাস পেয়ে আমি বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করি। এই সেই এজাহার (প্রদর্শনী-১) এই আমার স্বাক্ষর (প্রদর্শনী-১/৯) পরে পুলিশ আমার বলগেট’টা জব্দ করে।
ঐ দিনই এস,আই বদরুল আলমকে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তদন্তকারী আসামীদের গ্রেফতার
করেন এর মধ্যে আসামী ১। জলিল ২। লম্বা দুলাল ৩। ইব্রাহিম ৪। খাটো দুলাল মিয়া ৫। মজিবর ৬। শফিকুল
ইসলাম ৭। তাজুল ইসলাম ৭। আরিফ ১৬৪ ধারায় স্বীকারক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং তদন্ত শেষে ১২ জন আসামীর বিরুদ্ধে চার্জসীট দাখিল করেন ২৬/৩/০৯ চার্জসীট গৃহিত হয়। ২১/০৪/২০১৯ সালে পরবর্তীতে মামলাটি হুজুর আদালতে বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য বদলী হলে বিচারক বাদী এরসাদ মিয়া, ম্যাজিষ্টেট, সুরতহাল, আই,ও সহ ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন করে এবং উপস্থাপিত কাগজপত্র প্রদর্শনী ভূক্ত করে উপরােক্ত রায় প্রদান করেন।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

16 − seven =

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর