মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৭, ২০২১




সাত খুনের সাত বছর আজ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন :

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের সাত বছর পূর্ণ হলো: দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবী নিহতদের পরিবারগুলোসহ নারায়ণগঞ্জ নাগরিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুনের ঘটনার সাত বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ ২৭ এপ্রিল। এই দীর্ঘ সময়ে নি¤œ আদালতের সন্তোষ জনক রায় উচ্চ আদালতে বহাল রেখে অবিলম্বে কার্যকর করার দাবী নিহতদের পরিবার সহ নারায়ণগঞ্জ নাগরিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের। প্রত্যাশা আপীল আদালতেও নিম্ম আদালতের রায় বহাল থাকবে। ধীরগতির কারণে এখনো নিহতের পরিবারের সদস্যরা ভয় আতংকে আছেন বলেও জানান। এ রায় কার্যকর হলে তা যুগান্তকারী হয়ে থাকবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্টিত হবে। জেলা জজ আদালতে ৩৫ আসামীর মধ্যে ২৬ জনকে মৃত্যুদন্ড এবং ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিলেও হাই কোর্ট ১৫ জনের মৃত্যুদন্ড বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা বহাল রাখেন।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ আদালতে মামলায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের লামাপাড়া এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবি চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের তিনদিন পর শীতলক্ষ্যা নদীর বন্দরের শান্তিরচর থেকে সাত জনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন ফতুল্লা থানায়। পরে আদালত আসামীদের স্বীকারোক্তি, জবানবন্দি ও স্বাক্ষ্যগ্রহন শেষে ৩৩ মাস পর জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারী রায় প্রদান করেন। রায়ে ২৬ জনকে মৃত্যুদন্ড ও ৭ জনকে ১০ বছর করে এবং ২ জনকে ৭ বছর করে কারাদন্ড প্রদান করা হয়।
ওই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ আপিল করলে দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৮ সালে ২২ আগস্ট হাই কোর্ট ১৫ জনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ বহাল রাখেন। আর বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন।
নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবি চন্দন সরকারের পরিবারের দাবি উচ্চ আদালতে যেন এ রায় বহাল রাখেন। রায় দ্রুত কার্যকর করে নিহতদের আত্বা শান্তি পাবে এমনটাই দাবি। উচ্চ আদালতে ধীরগতির কারণে এখনো নিহতের পরিবারের সদস্যরা ভয় আতংকে আছেন বলে জানান মামলার বাদী ও নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি।
আপীল আদালতেও হাই কোর্টের রায় বহাল থাকবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন নারায়ণগঞ্জের মানবাধিকার কর্মীসহ সচেতন নাগরিক। তারা দ্রুত এ ফাঁসির রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়ে বলেন, এটা দৃষ্টান্ত ও যুগান্তকারী হয়ে থাকবে।
সিংক: মাহবুবুর রহমান মাসুম, সভাপতি, মানবাধিকার কমিশন, নারায়ণগঞ্জ জেলা।
শুধু নারায়ণগঞ্জ নাগরিক সমাজই নয় নিম্ম আদালতের রায় বহাল থাকবে এবং দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করার দাবী সাধারণ মানুষেরও।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

13 − 9 =

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর