সোমবার, এপ্রিল ২৬, ২০২১




বন্দরে মামা-ভাগ্নেকে কুপিয়ে জখম, অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি

নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিনঃ

নারায়ণগঞ্জ’ র বন্দরে কোন কারণ ছাড়াই কথাকাটির এক পর্যায়ে আনাস উদ্দিন রানা (২১) ভাগিনা সিয়ামকে এলোপাথাড়ি মারধর ও চাপাতি দিয়ে আঘাত কুপয়ে রক্তাক্ত জখম করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার একসপ্তাহ পার হলেও মামলা হয়নি বন্দর থানায়।

গত সোমবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ৭ টায়  বন্দর দেউলী চৌড়াপাড়া নিজ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়।

এই বিষয়ে ভুক্তভোগী আনাস উদ্দিন রানার মা সুরবানু (৫২) বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগের পর একসপ্তাহ কেটে গেলেও কোন মামলা রুজু হয় নি। এছাড়া আবু সাঈদ ও সেহাগ গংরা এলাকায় এসে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। এর পেছনে তদবীর করছে স্থানীয় ভাবে ছিছকে গদফাদার সহিদ ও বাছেদ গংরা। বিষয়টি নিয়ে বারাবাড়ি না করর জন্য বাদি পক্ষকে একাধিক বার চাপ দিয়ে যাচ্ছে।

ভুক্তভোগীর মা ও অভিযোগের বাদি সুরবানু জানান,বিবাদী দেউলী চৌড়াপাড় এলাকার আবু সাঈদ (২২) পিতা-রফিকুল, সোহাগ(২০) পিতা- আবু বাক্কার, নাছির (২৮), নাজমুল (২৫), শহীদুল্লাহ (৩২) সর্ব পিতা- রফিকুল। আমার ছেলে আনাস উদ্দিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কোন কারণ ছাড়াই কথা কাটি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে, আমার ছেলে গালিগালাজ করতে নিষেধ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে এলোপাতাড়ি মারধর ও চাপাতি দিয়ে আঘাত করে তা ঠেকাতে গিয়ে ডান হাতে কোপ লেগে হাত কেটে রক্তাক্ত জখম হয়। একই সাথে আমার নাতি সিয়ামকেও হাত ও মুখ বেধে বেধরক পিটিয়ে রক্তাক্ত ও জখম করে ওই বখাটে নেশাখোররা। পরে ওদের ডাক চিৎকারে আমি দৌড়াইয়া গেলে বিবাদীরা আমাকে এলোপাথাড়ি মারধর করিয়া নীলা ফুলা জখম করে আমার সাথে আমার নাতি সিয়াম গেলে বিবাদীরা সিয়াম কেও এলোপাতাড়ি মারধর করিয়া নীলা ফুলা জখম করে। আমাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে উল্লেখিত বিবাদীরা আমাকে ও আমার ছেলেকে ভবিষ্যতে খুন ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়া চলিয়া যায়।পরবর্তীতে আমার ছেলে, আমার নাতি, আমি বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসার জন্য গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাকে ও আমার নাতির সিয়ামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয় এবং আমার ছেলে আনাস উদ্দিন রানাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল বিকেলে বন্দর থানায় অভিযোগ করি। কিন্তুু এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলোও পুলিশের দেখা মিলেনি বরং অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা আবুল খায়ের কে ফোন দিলে তিনি বলেন, আমাকে ফোন দেন কেনো, সময় হলে আসবো আর বিরক্ত করবেন না, আবার ফোন দিলে মামলা হামলা হয়ে যাবে।
এ বিষয় তদন্ত কর্মকর্তা আবুল খায়েরের কাছে জানতে চাইলে তিনি উল্লেখিত বিষয় অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগটি আমি তদন্ত করছি আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রয়েছে। বাদি যেভাবে চাইবেন ঠিক সেভাবেই হবে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

12 − nine =

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর