বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২১




নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা: জসিম উদ্দিনকে ফজর আলী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

‘নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা’ এমন মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর ইউনিয়ণ পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রাথী’ ফজর আলী অপর প্রাথী জসিম উদ্দিনকে উদ্দ্যশ্যে এসব কথা বলেন।

সাম্প্রতিক একটি অনলাইন টকশো অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে গোগনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিমউদ্দিন ফজর আলীকে বিএনপি ঘেষা ও নৌকা ডুবানো নেতা বলেও মন্তব্য করেছেন। যা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমারা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। প্রবাদ আছে নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। বাস্তবতা হলো গত নির্বাচনে জসীমউদ্দিন সাহেব নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রায়ত নওশেদ আলী চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নৌকাকে পরাজয়ের গ্লানি উপহার দিয়েছেন। এখানে নৌকার কোন দোষ ছিল না। আসলে স্বাধীনতার পর থেকেই গোগনগরের সাধারণ জনগণের মনে জসীমউদ্দিন সম্পর্কে একটা ভীতি কাজ করছে। তার দ্বারা সংঘটিত বয়ঃসন্ধিকালের নির্যাতন, নিপীড়ন, কথায় কথায় অস্ত্র প্রদর্শন এবং বর্তমানে তার দ্বারা সংঘটিত মামলা বাজি, অন্যের জমি দখলদারিত্ব ও ভূমি দস্যুতা ইত্যাদি অপকর্মের কারণে জনগণ তাকে ভোট দেয়নি। এখন নিজের অযোগ্যতা ঢাকতে ফজর আলী সাহেবের উপর দোষ চাপিয়ে দিতে চাচ্ছেন। জসীমউদ্দিন গংদের এই গোগনগরে সিএস পর্চা নেই তা ১০০% সত্য। জসীমউদ্দিনের দাদা মোহর আলী মিয়া সুদূর গজারিয়ার অখ্যাত প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এই গোগনগরে কামলা দিতে এসে ফকির বাড়িতে মুনির কাজ নেন এবং দীর্ঘ পঁয়তাল্লিশ বছর অর্থাৎ ১৯৬০সন পর্যন্ত কামলা দিয়েও এক গন্ডা জমি কিনতে পারে নাই। জমি কিনবেনই বা কি করে? সংসারই চালাতেই তো হিমসিম খেয়েছেন আবার বিয়ে করেছেন ২টা। তাও আবার একটা গোপনে। জসীমউদ্দিনের মতো মিথ্যাবাদী এই অঞ্চলে দ্বিতীয়টি নেই। তিনি বলেছেন তার বাবা নাকি ১৯৬৪ সালে চেয়ারম্যান হয়েছেন। মিডিয়ায় এসে তার এধরনের মিথ্যে বানোয়াট অপপ্রচার সত্যিই এলাকায় হাস্য রসের জন্ম দিয়েছে। প্রকৃত সত্য হলো আইয়ুব খান ২৭/১০/১৯৫৮ইং তারিখে সামরিক শাসন জারি করেন এবং ১৫মাস ১৭দিন পর ১৯৬০সনে মৌলিক গনতন্ত্রের মাধ্যমে প্রথম নির্বাচন দেন। ১৯৫৮ সন হইতে ১৯৬৯ সন পর্যন্ত দীর্ঘ ১১ বৎসরে দুই বার নির্বাচন করেন। প্রথমবার ১৯৬০ সনের ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিডি মেম্বার কতৃক হা-না ভোটের মাধ্যমে এবং দ্বিতীয়বার ১৯৬৫ সনের ২রা জানুয়ারী। ১৯৬০সনের নির্বাচনে গোগনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জনাব মোঃ কাছিম উদ্দিন আহমেদ এবং ১৯৬৫সনের নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জনাব রমিজউদ্দিন মাষ্টার। কাজেই ১৯৬৪ সনে জসীমউদ্দিনের বাবা চেয়ারম্যান হননি। তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × five =

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর